স্টাফ রিপোর্টার :
ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া ও ভারতের সহায়তা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ত্বরান্বিত করেছিল। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। গতকাল রবিবার (২৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্সের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মহান স্বাধীনতার ৫৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতীয় জাদুঘর, রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা এবং মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন অতিথিরা। ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। বিজয়ের পর তারা জাতির পিতার নেতৃত্বে শুরু করেছিলেন সোনার বাংলা গড়ার কাজ। মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে নতুন প্রজন্মকেই এর নেতৃত্ব দিতে হবে। এ সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন/সোভিয়েত রাশিয়া) এবং ভারতের সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক এবং ভারতের ট্যাকটিক্যাল সহায়তা মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয় ত্বরান্বিত করেছিল।’ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসের পরিচালক পাভেল দভয়চেনকভ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা একাডেমি ট্রাস্ট চেয়াররম্যান ড. আবুল কালাম আজাদ।