৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২, ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সাথে সোমবার ০২ নভেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার Derek Lok । সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার পাশাপাশি ডিজিটাল পেমেন্ট, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ই-কমার্স এবং ডিজিটাল অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর প্রয়োগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর জনসেবা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। এসব ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের অর্জিত অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিস্তৃত ডাকঘর নেটওয়ার্ককে আধুনিকায়নের মাধ্যমে ই-কমার্স, পার্সেল ডেলিভারি ও সমন্বিত লজিস্টিকস সেবার কার্যকর কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যৌথভাবে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
মন্ত্রী সরকারি সেবায় ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, সরকারি কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরো গতিশীল করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে বাংলাদেশ আগ্রহী।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ে তাঁর দেশ আগ্রহী।
উভয় পক্ষই মনে করেন, ডিজিটাল অর্থনীতি, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জনসেবার আধুনিকায়নে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এসব ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
সাক্ষাৎকালে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স Philip Ong, ডেস্ক অফিসার Mrithini TGGRITHARAN এবং এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ডেভেলপমেন্ট পার্টনার Benjamin Chue উপস্থিত ছিলেন।